মো: আল-মাহফুজ শাওন, খুলনা:
খুলনা মহানগরীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন নেতৃত্ব গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা ও গুঞ্জন শুরু হয়েছে। দলীয় একাধিক সূত্রের দাবি, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র প্রার্থী **এস এম মুশফিকুর রহমানকে** মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, খুলনা মহানগরীতে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও সুসংগঠিত করতে নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে। এরই অংশ হিসেবে মহানগর কমিটির শীর্ষ পদে এস এম মুশফিকুর রহমানের নাম আলোচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অঙ্গনে তার সক্রিয়তা এবং স্থানীয় পর্যায়ে পরিচিতির বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, মহানগর কমিটির দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পদ **সদস্য সচিব** কে হচ্ছেন—এ নিয়েও চলছে আলোচনা। এ পদের জন্য **হামীম রাহাত** অথবা **ডা. আবদুল্লাহর** নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে এই দুই নেতার মধ্যে একজনকে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, খুলনা মহানগরীতে এনসিপির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সক্রিয় করা এবং দলীয় কার্যক্রমকে বেগবান করার লক্ষ্যেই নতুন নেতৃত্ব নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
তবে এখনো পর্যন্ত মহানগর কমিটির আহ্বায়ক বা সদস্য সচিব হিসেবে কারও নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে খুলনা মহানগর এনসিপির নতুন নেতৃত্ব প্রকাশ করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে **এস এম মুশফিকুর রহমানের** সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে বলেন, দলের নীতিনির্ধারকরাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
রাজনৈতিক মহলে এখন মূল আলোচনা—শেষ পর্যন্ত এস এম মুশফিকুর রহমানই কি এনসিপি খুলনা মহানগরীর আহ্বায়ক হচ্ছেন, নাকি শেষ মুহূর্তে নেতৃত্বের সমীকরণে আসছে কোনো পরিবর্তন। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরই এ বিষয়ে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান হবে।