শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন
Headline :
খুলনায় ২০০ পিস ইয়াবাসহ নোয়াখালীর যুবক গ্রেপ্তার আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯ অভয়নগর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস চলে নিরাপত্তা প্রহরীর ভরসায়, কর্মকর্তার দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ ডিমলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহ শুরু, তথ্য নেওয়া হবে ৭৭ হাজার পরিবারের হুথিরা তেহরানের নিয়ন্ত্রণে নয়, হরমুজও তাদের নাগালের বাইরে ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক সাংবাদিক নেতা আহমদ আবু জাফরের জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন খুলনায় ডিআইজির মতবিনিময় সভা বর্জন প্রশ্ন করার সুযোগ ও ছবি-ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে ক্ষোভ ঠাকুরগাঁওয়ের গড়েয়ায় মাদকবিরোধী অভিযান, আটক ৪ জনের কারাদণ্ড

বটিয়াঘাটায় রেজাউল শেখ হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

মো: আল-মাহফুজ শাওন

খুলনার বটিয়াঘাটায় রেজাউল শেখ হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অপর এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৪ আদালতের বিচারক মো. খুরশীদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—বটিয়াঘাটার ঝালবাড়ি এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সালাম, মো. খুরশিদ আলম ও মো. খায়রুল শেখ। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. শাহ আলম।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ সকাল ৮টার দিকে বটিয়াঘাটা উপজেলার ঝালবাড়ি গ্রামের বাজারে নিজের দোকানের কাছে অবস্থান করছিলেন রেজাউল শেখ। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওৎ পেতে থাকা কয়েকজন দুর্বৃত্ত বাঁশের লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। পরে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে আসামিরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকে। রেজাউলের ছোট ভাই মেঝবাহ উদ্দিন তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় রেজাউল শেখকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মেঝবাহ উদ্দিন ওই দিন সন্ধ্যায় বটিয়াঘাটা থানায় মামলা করেন। মামলায় ঝালবাড়ি এলাকার কলমবক্সের ছেলে আব্দুস সালাম, সালাম শেখের দুই ছেলে মো. খুরশিদ আলম ও মো. খায়রুল শেখ এবং একই এলাকার কালা বাবুর ছেলে এরশাদকে আসামি করা হয়।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে আরও জানা যায়, পৈতৃক সম্পত্তি ও দোকানঘর উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে পূর্ববিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, খুরশিদ আলম শেখ ও খায়রুল শেখ বাঁশের লাঠি ও কাঠের বাতা দিয়ে রেজাউল শেখের মাথার পেছনসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। একপর্যায়ে রেজাউল মাটিতে পড়ে গেলে আব্দুস সালাম ও এরশাদ শেখও তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক মো. গোলাম রসুল চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সোমবার আদালত তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং অপর আসামি এরশাদ শেখকে খালাস প্রদান করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page