বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩২ অপরাহ্ন
Headline :
শেষ পরীক্ষা আর দেওয়া হলো না, অপূর্ণ রয়ে গেল দীপের স্বপ্ন মাগুরার মহম্মদপুরে অপহরণের এক বছর পরও নিখোঁজ নবম শ্রেণির ছাত্রী, অপেক্ষায় পরিবার নতুন ঠিকানায় লবণচরা থানা উদ্বোধন, জনসেবায় যুক্ত হলো কেএমপির নিজস্ব আধুনিক ভবন মরহুম শফিউল বারী বাবুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিশেষ দোয়া মাহফিল বুধবার আবারও মাগুরার শ্রীপুরে স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ, নতুন নাম রাখলেন মোঃ কামরুজ্জামান পাঁচ দফা দাবিতে বুধবার থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাগুরার সাবেক এসপি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি গোপালগঞ্জ ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে অজ্ঞাতনামা নারীর মরদেহ উদ্ধার নড়াইলের লোহাগড়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগে স্ত্রী আটক মুন্ডুমালায় খাবার পানির সমস্যা

গোপালগঞ্জে কয়েক দিনের ব্যবধানে সবজির দাম ঊর্ধ্বগতি দিশেহারা সকল প্রকারের ক্রেতাগণ

লুৎফর সিকদার

প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে কয়েক দিনের ব্যবধানে সবজির দাম দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে এখন ৬০ টাকা কেজি দরের নিচে সবজি যাওয়া যাচ্ছে না। মাছের দামও ধরাছোঁয়ার বাইরে। চাষের পাঙাশ, রুই, কাতলা, সিলভার কার্পসহ প্রায় সব ধরনের মাছের দাম বেড়েছে।

ইহাতে দিনমজুর, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন।
আজ রবিবার (২৬ জুলাই) গোপালগঞ্জ শহরের বড় বাজারের কাঁচা ও মাছ বাজারে, প্রায় প্রতিটি সবজির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। কয়েকদিন আগেও ঢেঁড়স ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হতো। সেই ঢেঁড়শ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে।

এই ভাবে মিষ্টিকুমড়া প্রতিকেজি ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কচুরমুখী ৫০ থেকে বেড়ে ৮০ টাকা, উচ্ছে ৫০ থেকে বেড়ে ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৩০ থেকে বেড়ে ৮০ টাকা কেজি হয়েছে। ধুন্দল ২৫ থেকে বেড়ে ৬০ টাকা, ঝিঙে ৩০ থেকে বেড়ে ৮০ টাকা এবং পটল ৩৫ থেকে বেড়ে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাঝারি আকারের একটি লাউ ৩০ থেকে ৪০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন কিনতে হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।

এছাড়া পাঙাশ, রুই, কাতলা, সিলভার কার্পসহ বিভিন্ন মাছের দামও কেজিতে ২৫ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা দরে। যা ক’দিন আগে ছিল ৪৫০ থেকে ৪৮০ টাকার মধ্যে।
মাছ বিক্রেতা জহর বলেন, যেসব জেলা থেকে চাষের মাছ আসে, সেখানে বৃষ্টিতে মাছ ভেসে গেছে। এ সময়ে বাজারে ইলিশ মাছের আমদানি বৃদ্ধি পায়। দেশি মাছের দাম কমে। গত সপ্তাহে ইলিশের দাম যতটুকু কমেছিল, এ সপ্তাহে তার চেয়ে বেশি বেড়েছে। তাই সব মাছের বাজার চড়া।

ক্রেতা বলেন, আমরা বাজারে এসে বাজেট ঠিক রাখতে পারছি না। প্রয়োজনীয় পণ্য না কিনেই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। এ অবস্থায় আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষ ঠিকমতো বাজার করতে পারছে না।

সবজি ব্যবসায়ী হানিফ, ইকবাল,মুদি দোকান মিজু সহ আরো কয়েকজন জানিয়েছেন, অব্যাহত বৃষ্টিতে সবজি নষ্ট হয়েছে। ফলে আড়তে পর্যাপ্ত সবজির আমদানি হচ্ছে না। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক কমেছে। এ কারণেই প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। প্রতিবছর বর্ষাকালে সবজির দাম সাধারণত একটু বৃদ্ধি পায়।

গোপালগঞ্জ জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন বলেন,চলতি জুলাই মাসে জেলায় স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। ইহাতে জেলার ৮৫ হেক্টর জমির সবজি ক্ষেত ডুবে নষ্ট হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৬০ সবজি চাষী। স্থানীয়ভাবে উয়পাদিত সবজির সরবরাহ বাজারে একেবারে কমে গিয়াছে।সে কারণে সবজির দাম বেড়েছে। মাছ ও সবজির বাজার নিয়ন্ত্রণে আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। বাজারে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সবজির সরবরাহ কমেছে। তাই বাইরের জেলা থেকে গোপালগঞ্জে অধিকাংশ সবজি আসছে বলে জানতে পেরেছি। তারপরও অতিমুনাফা না করে, ক্রয়-বিক্রয় মূল্যের মধ্যে সমন্বয় রেখে মাছ-সবজি বিক্রি করতে বিক্রেতাদের পরামর্শ দিয়েছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page