সিলেট প্রতিনিধিঃ
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে সুবিধা নেওয়া এবং বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা।
অভিযোগের তীর উঠেছে গোয়াইনঘাট উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক সাদিকুর রহমান এবং তৈয়বুর রহমান (তৈয়ব) মেম্বারের বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারীদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তারা আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। পাশাপাশি, জুলাই আন্দোলনের সময় আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা সুবাস দাসের বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা পরিচালনায় সহযোগিতার অভিযোগও তোলা হয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিকে সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এছাড়া অবৈধ বালু ব্যবসাসহ বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগও তুলেছেন অভিযোগকারীরা।
তবে উত্থাপিত এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযুক্তদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় বিএনপির একাংশের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর ভাষ্য, রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করলেও অভিযুক্তদের কর্মকাণ্ডে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তারা ব্যক্তিস্বার্থে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেন।
এলাকাবাসী ও বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা উপজেলার সিনিয়র বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। একই সঙ্গে সুবিধাবাদী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ারও দাবি জানান তারা।