বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
Headline :
মাগুরার মহম্মদপুরে অপহরণের এক বছর পরও নিখোঁজ নবম শ্রেণির ছাত্রী, অপেক্ষায় পরিবার নতুন ঠিকানায় লবণচরা থানা উদ্বোধন, জনসেবায় যুক্ত হলো কেএমপির নিজস্ব আধুনিক ভবন মরহুম শফিউল বারী বাবুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিশেষ দোয়া মাহফিল বুধবার আবারও মাগুরার শ্রীপুরে স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ, নতুন নাম রাখলেন মোঃ কামরুজ্জামান পাঁচ দফা দাবিতে বুধবার থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাগুরার সাবেক এসপি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি গোপালগঞ্জ ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে অজ্ঞাতনামা নারীর মরদেহ উদ্ধার নড়াইলের লোহাগড়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগে স্ত্রী আটক মুন্ডুমালায় খাবার পানির সমস্যা কাজে আসছে না ১৪০ কোটির প্রকল্প, ভবদহের জলাবদ্ধতায় আবারও ডুবলো ৫০ গ্রাম,চরম কষ্টে রয়েছে অভিশপ্ত ভবদহ অধ্যুষিত অঞ্চলের বাসিন্দারা

 

মো: গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহীর জেলার মোহনপুর উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের হাসিবুর রহমান, বাবা বদর উদ্দিন একজন কৃষক। এসসিএন পরীক্ষার আগ পর্যন্ত হাসিবুর পড়ালেখার ফাঁকে ফাঁকে বাবার সাথে মাঠে কাজ করেছেন। সেই হাসিবুর রহমান ৪৭তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

হাসিবুর রহমান বেড়ে উঠেছেন নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে। বাবা কৃষক। মা বিবিজান খাতুন মহব্বতপুর-খানপুর ডিগ্রি কলেজের আয়া। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট।

ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি হাসিবুরের ছিল গভীর আগ্রহ। ছাত্রজীবনে সংসারের কাজে বাবা-মাকে সহযোগিতা করলেও পড়ালেখা ফাঁকি দেননি। প্রবল আত্মবিশ্বাসই কঠোর তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে দেশের সবচেয়ে সম্মানজনক চাকরি বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে।

পাকুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক, মহব্বতপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, মহব্বতপুর-খানপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করে হাসিবুর রহমান ভর্তি হয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে। সেখান থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর সোনালী ব্যাংক পিএলসিতে অফিসার পদে চাকরিতে যোগ দেন। বর্তমানে সেখানে তিনি সিনিয়র অফিসার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

হাসিবুরের বাবা বদর উদ্দিন জানান অনেক কষ্ট করে তিনি সন্তানদের মানুষ করেছেন। মা বিবিজান খাতুন ছেলের অর্জনে খুবই আনন্দিত।

হাসিবুরের স্ত্রী সিদরাতুল মুনতাহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক। তিনি হাসিবুরকে সব সময় অনুপ্রেরণা দিয়ে বলেছেন, চেষ্টা চালিয়ে যাও, কখনো ভেঙে পড়ো না।

হাসিবুর রহমান বলেন, তিনি একজন কৃষকের ছেলে। তার বাবা-মা সীমাহীন কষ্ট করে তাদের পড়াশোনা করিয়েছেন। তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে তিনি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছেন। এই হাসিবুর রহমান আজ পরিবার ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page