বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
Headline :
মাগুরার মহম্মদপুরে অপহরণের এক বছর পরও নিখোঁজ নবম শ্রেণির ছাত্রী, অপেক্ষায় পরিবার নতুন ঠিকানায় লবণচরা থানা উদ্বোধন, জনসেবায় যুক্ত হলো কেএমপির নিজস্ব আধুনিক ভবন মরহুম শফিউল বারী বাবুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিশেষ দোয়া মাহফিল বুধবার আবারও মাগুরার শ্রীপুরে স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ, নতুন নাম রাখলেন মোঃ কামরুজ্জামান পাঁচ দফা দাবিতে বুধবার থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাগুরার সাবেক এসপি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি গোপালগঞ্জ ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে অজ্ঞাতনামা নারীর মরদেহ উদ্ধার নড়াইলের লোহাগড়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগে স্ত্রী আটক মুন্ডুমালায় খাবার পানির সমস্যা কাজে আসছে না ১৪০ কোটির প্রকল্প, ভবদহের জলাবদ্ধতায় আবারও ডুবলো ৫০ গ্রাম,চরম কষ্টে রয়েছে অভিশপ্ত ভবদহ অধ্যুষিত অঞ্চলের বাসিন্দারা

ভুয়া কমিটি, জাল স্বাক্ষরে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ মণিরামপুরে ৪২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

 

মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভুয়া পরিচালনা কমিটি গঠন, প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে তিন কর্মচারী নিয়োগ এবং নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে ৪২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও জালালপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মুনছুরুর রহমান যশোরের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবা শারমিন অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামিরা হলেন— জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমানত আলী, বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র সরকার এবং বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পবিত্র কুমার দত্ত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির মেয়াদ ২০২১ সালে শেষ হওয়ার পরও নিয়মবহির্ভূতভাবে একটি ভুয়া পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসহ পরিচালনা কমিটির অন্যান্য সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে অফিস সহায়ক, আয়া ও নিরাপত্তাকর্মী পদে তিনজনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই তিনটি নিয়োগের বিপরীতে অভিযুক্তরা মোট ৪২ লাখ টাকা গ্রহণ করে আত্মসাৎ করেছেন। তবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এখন পর্যন্ত বিদ্যালয়ে যোগদান করেননি এবং তাদের নামে কোনো বেতন-ভাতাও উত্তোলন করা হয়নি।
বাদী মোহাম্মদ মুনছুরুর রহমান জানান, চলতি বছরের ৮ জুন অভিযোগের বিষয়টি জানতে পেরে তিনি বিদ্যালয়ের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করেন। কিন্তু অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো ‘পারলে যা করার করে নিন’ বলে সেখান থেকে চলে যান। পরে সমঝোতার সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. আমানত আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অসুস্থতার কথা জানিয়ে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
উল্লেখ্য এই যে, মামলায় উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page